(পাঠদৈর্ঘ্যঃ 2 মিনিটের কাছাকাছি)

সালাহর মান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করার গাইডলাইন হিসেবে রচিত Elevate your Salah বইয়ের লেখক আসিম খানকে প্রশ্ন করা হয়¹How to Pray Like the Prophet ﷺ | Ustadh Asim Khan (Full Podcast- https://youtu.be/W9n7u6GtZuM)– আপনাকে যদি নিজ সালাহর মান বৃদ্ধিকারী একটি কৌশলের ব্যাপারে বলতে বলা হয় তবে আপনি কি বলবেন?

তিনি বলেন, একটি কৌশল হল: সালাহ শুরু করার আগে আমি নিজেকে প্রশ্ন করব- এই সালাহ আদায়ে কতক্ষণ সময় ব্যয় করব? এক্ষেত্রে আমি, সালাহর জন্য সর্বোচ্চ যতটা সময় দেয়া উচিত তা নির্ধারণ করে সেটি অতিবাহিত করার চেষ্টা করব। ধরুন, আমি বললাম- ইশা সালাহ আদায় করব বিশ মিনিট সময় নিয়ে। তাহলে আমাকে বুঝতে হবে যে, সুরা ‘আসর ও সুরা কাউসার ধরনের ছোট সুরা পড়লে হবে না- আমাকে বড় বড় অংশ বা সুরা পড়তে হবে। আমাকে সময়টিতে উত্তীর্ণ হবার জন্য তখন সালাহর বিভিন্ন পর্যায়েও ধীর-স্থিরতা নিয়ে আসতে হবে, মনোযোগিতা বাড়াতে হবে। এভাবে, কোয়ালিটিপূর্ণভাবে সালাহ আদায় সম্ভব হবে।

শেইখ আসিমের এই পরামর্শটি খুবই উপকারী- একটু ‘কাউন্টার ইনটুইটিভ’ ঠেকলেও। কাউন্টার ইনটুইটিভ মনে হতে পারে এ কারনে যে, সাধারনত আমরা সময় বাঁধি দ্রুততা নিশ্চিতের জন্য। কিন্তু এখানে বলা হচ্ছে ধীরতা সাধনের কথা। আর এটাই এ কৌশলের কার্যকারিতা।

শেইখের এই পরামর্শটি সাথে রেখে, নিজেকে ট্রেইন করার উদ্দেশ্যে, মাঝে মাঝে আরো দুই পর্যায় গভীরে যেয়ে দেখতে পারি।

পর্যায় ১: এক ওয়াক্ত সালাহর জন্য ওজু থেকে শুরু করে মাসজিদ যাওয়া-আসা, সালাহ পরবর্তী আযকার করা, সুন্নাহ আদায় সহ সর্বসাকূল্যে কত সময় ব্যয়িত হওয়া দরকার তা নির্ধারণ করি। ধরাযাক, আধঘন্টা। এরপর পুরো আধঘন্টাই সালাহ ও আনুষঙ্গিক ক্ষেত্রসমূহে ব্যয় করার চেষ্টা করি।

পর্যায় ২: যদি সে সময়টি তথা আধঘন্টা বরাদ্দ বা ব্যয় করতে না পারি, তাহলে ‘জরিমানা’ দেই। যেমন, পাঁচ ইউরো ডোনেশন দিয়ে দেওয়া।

নিজের জন্য করা কমিটমেন্ট রক্ষায় নিজেকে এক ধরনের জরিমানা ব্যবস্থার আওতার রাখার কথাটা প্রায়ই বলেন শেইখ আকরাম নাদয়ি। তিনি একে একটি কার্যকরী পন্থা মনে করেন। তিনি বলেন, যেমন, আমি নিজেকে বললাম, এখন এতক্ষণ সময় যাবত অধ্যয়ন করব; যদি তা না করি তাহলে পাঁচ পাউন্ড চ্যারিটি। জরিমানার পরিমান কম রাখা উচিত। বেশি ধার্য করলে ব্যাপারটি কাজ করেনা- তিনি বলেন।

 

ফুটনোটস
লেখক

এহসানুল ইসলাম

প্রকাশকাল

২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫